পানিশূন্যতা দূর করবে এইসব খাবার

পানিশূন্যতার অন্যতম বড় লক্ষণ হচ্ছে গলা শুকিয়ে আসা, প্রস্রাব কমে যাওয়া, ক্লান্ত লাগা, কোষ্ঠকাঠিন্য, মাথা ঘোরা, বমিভাব, মাথাব্যথা, ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া, গিঁটে ব্যথা। এর যেকোনোটি থেকেই তৈরি হতে পারে ভয়ংকর সমস্যা। তাই এ ধরনের লক্ষণ .দেখা দিলে সবার আগে পানিশূন্যতা দূর করার চেষ্টা করতে হবে। শীতে প্রতিদিন চাই অন্তত ৬-৮ গ্লাস পানি। কেউ শারীরিক পরিশ্রম করলে বা ব্যায়াম করলে ৮-১০ গ্লাস পানি পান করতে হবে। নারী, পুরুষ, শিশু এবং তাদের বয়স ও শারীরিক আকৃতিভেদেও পানির পরিমাণ কম-বেশি হতে পারে।

পানি
পানিশূন্যতা দূর করতে শীতে গরম পানি পান করা যেতে পারে। গরম পানিতে ঘাম হয়, তাই শরীরের ক্ষতিকারক টক্সিন বের হয়ে যায়। চেষ্টা করুন খাবার খাওয়ার পর গরম পানি পান করতে। তাতে অম্বলের সমস্যা কমে যাবে। এই আবহাওয়ায় গরম বা ঠান্ডা পানি পান করতে সমস্যা হলে ঠান্ডা ও গরম পানি মিলিয়ে নিতে পারেন। খেয়াল রাখতে হবে খুব বেশি গরম পানি বা ঠান্ডা পানি শরীরের জন্য ক্ষতিকারক।

শসা
শীতে সাধারণত একটু ভারী বা তেল চর্বির খাবার খাওয়া হয়। তাই একদিকে যেমন ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয় থাকে, অন্যদিকে নানা অসুখের ভয়ও বেড়ে যায়। তাই সালাদ খাওয়া জরুরি। এই শীতে শসা খেতে পারেন খান। শসায় রয়েছে ৬৯ দশমিক ৭ শতাংশ পানি। কাঁচা খেতে ভালো না লাগলে একটু দই আর পুদিনা পাতা মিশিয়ে জুস করে পান করতে পারেন।

ফল
প্রচুর পরিমাণে ফাইবার ও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ আপেলে ৮৬ শতাংশ পানি থাকে। আর কমলা খেলেও কমে যাবে পানিশূন্যতা। মৌসুমি নানা ফল খেতে পারেন।

স্ট্রবেরি
স্ট্রবেরিতে প্রায় ৯১ শতাংশ পানি আছে। প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আর ফ্ল্যাভোনয়েডস আছে, যা মস্তিষ্কের জন্য উপকারী।

দই
দইতে প্রায় ৮৫ শতাংশ পানি পাওয়া যায়। ইলেকট্রোলাইটস ও প্রোটিনের দারুণ উৎস, যা আপনার হৃৎপিণ্ডসহ শরীরের অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।

সবজি
টমেটোতে পানির পরিমাণ প্রায় ৯৫ শতাংশ। লেটুসপাতায় আছে ৯৫ শতাংশ পানি। আর ব্রকলিতে প্রায় ৮৯ শতাংশ পানি থাকে। তাই এই শীতে পানির বদলে খাওয়া যেতে পারে এসব সবজি।

স্যুপ
স্যুপে যে প্রচুর পানি থাকে সেটা তো আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এই মৌসুমে প্রচুর স্যুপ খাওয়া যেতে পারে। নানা মৌসুমি সবজির সঙ্গে মাংস মিশিয়ে তৈরি করতে পারেন স্যুপ।