পর্নস্টাররা রতিসুখ পান কীসে

একই কাজ যদি দীর্ঘদিন ধরে করে যাওয়া হয়, তবে কি তা ভাল লাগার কথা? সবাই বলবেন- নয়! কেন না, পুনরাবৃত্তি মানুষকে ক্লান্ত করে তোলেই! পর্নস্টারদের ক্ষেত্রে কথাটা নির্মমভাবেই সত্যি! দিনের পর দিন ক্যামেরার সামনে নানারকম ভাবে রতিক্রিয়া করতে করতে একসময় তাঁদের যৌনতাবোধও অনেকাংশেই ভোঁতা হয়ে যায়। তাই যদি হয়, তবে পর্নস্টাররা যৌনসুখের চূড়ান্তে পৌঁছন কীভাবে? একটু স্পষ্ট করে বললে- ঠিক কোন কোন যৌন-আসনকে অবলম্বন করে ব্যক্তিগত জীবনে রতিসুখ খুঁজে নেন তাঁরা?

শুনতে অদ্ভুত লাগলেও বছর শেষের মুখে সবাই যখন সালতামামি নিয়ে ব্যস্ত, তখন এরকম একটা প্রশ্ন তুলে ধরেছে উডরকেট নামে এক প্রাপ্তমনস্ক সংস্থা। তারা জানতে চেয়েছে পর্নস্টারদের কাছে- ব্যক্তিগত জীবনে কোন সেক্সুয়াল পজিশন তাঁদের সবচেয়ে প্রিয়? কোনটায় বেশি স্বাচ্ছ্যন্দ অনুভব করেন তাঁরা? কেন না, পর্দায় তাঁদের দেখা যা নানা জটিল সেক্সুয়াল আসনে মিলিত হতে। কিন্তু পর্দার বাইরে ছবিটা ঠিক কীরকম?

Loading...

সেই অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়েছেন এপ্রিল ওনিল, অ্যালি হেজ, অ্যানিকা আলব্রাইট, ট্রিনিটি সেন্ট ক্লেয়ার, ভায়োলেট মনরো, আমারনবা মিলারের মতো ডাকসাইটে পর্নস্টাররা। তাঁরা ছাড়াও আরও অনেক পর্নস্টারের জবানি নিয়ে শুট করা হয়েছে একটি ভিডিও। তা, কী বলছেন তাঁরা?

মিশনারি সেক্স পজিশনের দিকেই ভোট দিয়েছেন বেশিরভাগ! মিশনারি বা মৈথুনের প্রচলিত আসনটি এমনিতে যতই সাদামাটা মনে হোক না কেন, পর্নস্টাররা বলছেন- এতেই তাঁরা তৃপ্তি পান সবচেয়ে বেশি। কেন না, ক্যামেরার সামনে অনেক পজিশনে থাকতে থাকতে দিনের শেষে বাড়ি ফিরে আর শরীর দেয় না! তখন ওই সাদামাটা আলিঙ্গনে আর অনেক চুমুতেই রতিসুখের চূড়ান্তে পৌঁছন তাঁরা।
এছাড়া অনেক পর্নস্টার, বিশেষ করে মহিলারা ভোট দিয়েছেন কাউগার্ল এবং ডগি স্টাইলের দিকেও। কাউগার্লে যেহেতু নারীটি পুরুষের উপরে থাকে, সেইজন্য নড়াচড়া করতে সুবিধা হয়। এটাই মেয়েদের মধ্যে জনপ্রিয় করেছে এই যৌন আসনকে। আর ডগি স্টাইল বা পিছন থেকে সঙ্গম জনপ্রিয় কারণ এখানে নারীকে সক্রিয় থাকতে হয় না। যা অনেকটা মিশনারি পজিশনেরই উল্টো পিঠ বলা যায়!

Mybd24.com © 2017 Mybd24.com